
কুয়েতে অভিবাসী আইন লঙ্ঘনকারীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে দেশটির সরকার। এ ঘোষণার আওতায় কোন জেল-জরিমানা ছাড়াই দেশে ফিরতে পারবেন অবৈধ অভিবাসীরা।
রমজান মাস, কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল-সাবাহ এর শাসনভার গ্রহণ এবং রাষ্ট্রের সব স্তরে মানবিক ভূমিকা সুসংহত করার লক্ষ্যে ১৭ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত আকামা আইন লঙ্ঘনকারী অবৈধ প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে কুয়েত।
পরে সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ ১৭ জুন থেকে বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিল।
সাধারণ ক্ষমার এই সময়সীমার মধ্যে অবৈধ প্রবাসীরা কোনো ধরনের জেল জরিমানা ছাড়াই নিজ দেশে চলে যেতে পারবেন। চাইলে পুনরায় নতুন ভিসা নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। এছাড়া নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জরিমানা পরিশোধ করার পর চাইলে বৈধ হয়ে আকামা নবায়ন করার সুযোগও পাবেন।
সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা কুয়েত সরকার জানিয়ে দেয় যে, কারও বিরুদ্ধে যদি ফৌজদারি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে নির্ধারিত অফিসে যোগাযোগ করে সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে কিনা, তা নিশ্চিত হতে হবে। সাধারণ ক্ষমার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যেসব অবৈধ অভিবাসী বৈধ হওয়ার সুযোগ হারাবেন এবং কুয়েত ত্যাগ করবেন না, তাদের কালো তালিকাভুক্ত করে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে ২০১৮ সালে প্রায় ১৫ থেকে ১৭ হাজার অবৈধ অভিবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করেছিলেন প্রায় ৮ হাজার বাংলাদেশি।করোনাভাইরাস মহামারীর সময় ২০২০ সালের সাধারণ ক্ষমায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার অবৈধ অভিবাসী বাংলাদেশি সাধারণ ক্ষমার আবেদন করেছিলেন।
এবার ২০২৪ সালে দেয়া সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করেছেন ৪ হাজারেরও অধিক প্রবাসী বাংলাদেশীরা।